search
প্রবেশ
নির্বিক এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।এখনই প্রশ্ন করা শুরু করুন।
0 টি ভোট
49 বার প্রদর্শিত
"মতামত" বিভাগে

3 উত্তর

2 টি ভোট
আমি এই প্রশ্নটি পক্ষে আছি ভাই
0 টি ভোট

image

আমি অবশ্যই এই স্লোগানের পক্ষে৷তবে এইখানে আমি ধর্মীয় ব্যাপারে একটু কথা বলতে চাই।কারণ এসব স্লোগানের কথা আনলেই অনেকে ধর্মীয় বিষয়টা নিয়ে চলে আসে।আমি এখানে কিছু পয়েন্ট তুলে ধরবো।

দেশের কিছু মানুষের মুখে এই কথাটা প্রায়ই শোনা যায় যে আল্লাহ রিযিক দিবে,তাদের কথা অনুযায়ী যত ইচ্ছা তত বাচ্চা নেওয়া যাবে।রিযিকের মালিক আল্লাহ। এই বাক্যটা অবশ্যই সঠিক কিন্তু এটার ব্যাখা প্রচন্ড ভুল।রিযিকের মালিক আল্লাহ তার মানে এই না যে আপনি কাজকর্ম পরিশ্রম না করে কিংবা বুদ্ধি খাটিয়ে না চললে আল্লাহ আপনার মুখে খাবার এনে দিবে।আপনি কি জানেন আফ্রিকাতে কত শিশু না খেয়ে মারা যায়?রাতে কখনও রেলওয়ে স্টেশনে গিয়েছেন? না গিয়ে থাকলে একবার যাবেন।কত লোক খোলা আকাশের নিচে ঘুমাচ্ছে,একবেলা কোনোরকমে খেয়ে দিনপার করছে।ওনাদের বাবা মায়ের হিস্টোরি খুঁজলেও একই কাহিনী শুনা যাবে।

image
আর পৃথিবীতে তো মানুষ শুধু খাওয়ার জন্য আসে না। আপনি যে শিশুকে জন্ম দিচ্ছেন তাকে কি আপনি সকল সুযোগ সুবিধা দিতে পারছেন? আপনি তাকে সঠিক শিক্ষা দিতে পারছেন?সততার শিক্ষা দিতে পারছেন? কই পারছেন না তো। বাংলাদেশের ৯০% মুসলিমের দেশ হয়েও দুর্নীতি,খুন,চুরি,ডাকাতিতে ছেয়ে গেছে। আপনি তো ঠিকমত আপনার বাচ্চাকে ধর্মীয় শিক্ষাটাও দিতে পারছেন না। ধর্মে যা যা নিষেধ আছে সবই আমরা করে বেড়াচ্ছি।আমি এরকম হাজার হাজার উদাহরন দিতে পারি।

আমাদের দেশের রিকশাওয়ালারা আট দশটা করে সন্তান জন্ম দিচ্ছে,না দিতে পারছে তাদের শিক্ষা না দিতে পারছে তাদের খাদ্য। এরা বড় হলে চুরি ডাকাতি ছিনতাই এসব বিষয়ের সাথে জড়িয়ে যায়।তাই বাচ্চা জন্ম দেওয়ার আগে এসব ভেবে নিবেন। শুধু দুইবেলা বাচ্চার মুখে খাবার দিলেই সব দায়িত্ব শেষ না। এসব বিষয়ে কিন্তু হাশরের ময়দানে আপনাকে জবাব দিতে হবে।

এরপর আরো কিছু লোক বলে যে নবী বলেছেন উম্মতের সংখ্যা বাড়াতে। এই বিষয়ে আমি আপনাকে বলবো যে এই কথাটা নবী কখন বলেছেন? এটার প্রেক্ষাপট বুঝতে হবে। তখন ছিলো ইসলামের প্রাথমিক অবস্থা।তখন মুসলিমদের সংখ্যা ছিল খুবই কম। আর মুসলিম ঘরে জন্ম নিলেই তো মুসলিম হওয়া যায় না।আপনি আপনার সন্তানকে প্রকৃত মুসলিম হিসেবে কি গড়ে তুলতে পারছেন? নবীর জন্মভূমি সৌদি আরবের জনসংখ্যাও কিন্তু বাংলাদেশের থেকে অনেক অনেক কম। কিন্তু আমাদের দেশের কিছু মানুষের জন্য আমাদের আজ এই অবস্থা।

আর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই অবস্থাতে দুটি সন্তানের বেশি কোনোভাবেই নেওয়া উচিত নয়।[1] দুই জনের একটা বিছানায় নিশ্চই দশজন থাকা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ঠিকই বাড়ছে কিন্তু আয়তন কি সেই অনুসারে বাড়ছে?আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদও তো নেয়।মধ্যপ্রাচ্যের মত তেল থাকলে আরেক কথা ছিলো। দেশে শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত বেকার দিন দিন বাড়ছে।কর্মসংস্থান নেই, দেশ দূষণ হচ্ছে।ঢাকা বিশ্বের অযোগ্য শহরে পরিণত হয়েছে।তাই সময় থাকতে সচেতন হোন। দুটি সন্তান নিন,নিজে ভালো থাকুন অন্যকেও ভালো থাকতে দিন।

আমি বলছিনা কম জনসংখ্যা ভালো।সবকিছুর একটা লিমিট থাকা উচিত।বাংলাদেশ লিমিট ছাড়িয়ে অনেক দূরে চলে গেছে।এই মূহুর্তেও যারা বলবে জনসংখ্যা বাংলাদেশের জন্য কোনো সমস্যা না তাদের জন্য আমার দশ সেকেন্ড নীরবতা পালন করা ছাড়া আর কিছু করার নেই।

ধন্যবাদ সবাইকে।

0
ভাই আপনার মতামত গুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে।
–1 টি ভোট
ইসলামের দৃষ্টিতে এই স্লোগান টা অনেক বড় পাপ। এই কথা বলা এবং একে কাজে পরিনত করলে আল্লাহ তায়ালা এর বিচার নিবেন।এই দৃষ্টিতে এটা ঠিক না।তবে সামাজিক দৃষ্টিতে বলতে গেলে বলা যায় সুসন্তান একটাই যতেষ্ট।

এই প্রশ্নগুলিও দেখুন

0 টি ভোট
5 টি উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
0 টি ভোট
4 টি উত্তর
আপনার মতামত জানতে চাই।
07 এপ্রিল 2019 "মতামত" বিভাগে জিজ্ঞাসা ফারহান