দাদ রোগ সমূলে নির্মূল করার উপায় কি? একস্থানে দাদ হলে সেরে যাবার পরও কেন আবার কিছুদিন পর নতুন করে দাদ হয়? - Nirbik.Com
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (2,035 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ

দাদ সম্পূর্ণ নিমূল না হলে কিছুদিন পরে আবারও হতে পারে।  দাদ একটি ছোঁয়াচে রোগও। তাই দাদের চিকিৎসা না করলে সেইটা আমাদের বাড়ির লোকজনদেরও হতে পারে।  

 দাদ নির্মূল করার ঘরোয়া কিছু উপায়ঃ

 নারকেল তেল যদি দাদের জায়গাতে লাগানো হয় তাহলে তা দাদকে সারিয়ে ফেলতে অনেকটাই সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরণের ত্বকের অ্যালার্জিকে সারিয়ে তুলতে নারকেল তেল খুবই প্রয়োজনী। 

  হলুদ:

 দাদ সেরে উঠতে পারে আরেকটি সহজ উপায়ে। টাটকা হলুদের পেস্ট বানিয়ে সেইটা দাদের উপরে লাগালে সেইটা দাদকে সারিয়ে তোলে খুবই জলদি। আমাদের সবার বাড়িতেই রান্নার জন্য হলুদ থাকে। সেই হলুদের পেস্ট যদি দাদে লাগানো হয় তাহলে দাদ সারিয়ে তুলতে সেটা অত্যন্ত কার্যকরী। 

 কর্পূর :

 দাদ দূর করার জন্য দাদের সংক্রামিত শরীরের অংশতে কর্পূর লাগিয়ে রাখতে হবে। বেশ কয়েকদিন ধরে দাদে কর্পূর লাগানোর পর আর দাদের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়না। কিছুদিনের মধ্যে দাদের দাগটি ও মিলিয়ে যায় গায়ের রঙের সাথে।

 পুদিনা এবং লেবুর রস :

 পুদিনা পাতা বেটে তার একটি পেস্ট বানিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে দাদ সংক্রামিত জায়গাগুলিতে ভালো করে লাগাতে হবে। এইরকম ভাবে কয়েকদিন মনে করে লাগালেই দাদ খুব তাড়াতাড়ি উধাও হয়ে যাবে। 

  রসুন:

রসুনের মধ্যে আ্যান্টি ফাঙ্গাল গুন আছে। তার ফলে রসুন দাদকেও সারিয়ে তোলে। রসুনের খুব সরু করে কেটে সেটা আমাদের ত্বকের উপরে কদিন নিয়ম করে লাগালেই আমরা দাদের থেকে মুক্তি পেতে পারি অতি সহজেই। তাই দাদ হলেই , বাড়িতে রসুন বেটে বা সরু করে রসুন দাদের উপর লাগালেই আমাদের দাদ দূর হতে পারে। 

  উচ্ছে:

  উচ্ছের পাতা বেটে ,তারপর তার রস বানিয়ে দাদের অংশে লাগাতে হবে। এই পদ্ধতিটি কদিন নিয়ম করে মেনে চললেই খুব জলদি আমরা দাদের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারি।

  ঘৃতকুমারী :

প্রথমে ঘৃতকুমারীর জেল বের করতে হবে। তারপর সেই ঘৃতকুমারীর রস আমাদের দাদের অংশে লাগাতে হবে। কয়েক দিনের মধ্যে আমরা ফলস্বরূপ দেখতে পাই যে দাদ একেবারে সেরে উঠেছে। এই সব গেল যে আমাদের শরীরে দাদ দেখা দিলে কি কি ঘরোয়া পদ্ধতিতে তা সারিয়ে তোলা সম্ভব। কিন্তু আরো ভালো হতো যদি আমাদের শরীরে দাদই না হতো। আমাদের শরীরে ঘাম এবং ময়েশ্চার বেশী হলে তা  আমাদের শরীরের ফাঙ্গাল ইনফেকশনের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে। তাই ঘাম থেকেও দূরে থাকতে হবে। 

উত্তর প্রদান করেছেন (1,010 পয়েন্ট)
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
পেভিসন মলমটি ব্যবহার করুন।মনে রাখবেন এটি যদি অল্প কয়েকদিন ব্যবহার করে এরপর আর ব্যবহার না করেন তাহলে কোনো লাভ হবে না।একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মলমটি দাদের স্থানে ব্যবহার করুন।মলমটি লাগানোর আগে যে জায়গায় দাদ রয়েছে সে জায়গাটি হালকা গরম কুসুম পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে নিন।এভাবে প্রতিদিন ব্যবহার করুন।
উত্তর প্রদান করেছেন (2,035 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
21 ফেব্রুয়ারি "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md tushar (719 পয়েন্ট) | 32 বার প্রদর্শিত
নিরবিক ডট কম এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।আর আপনি যদি সবজান্তা হয়ে থাকেন তাহলে অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
11,702 টি প্রশ্ন
12,518 টি উত্তর
586 টি মন্তব্য
418 জন সদস্য