নির্বিক ডট কমে প্রশ্ন করে আপনি উত্তর জেনে নিতে পারবেন,প্রশ্ন করতে এখনই নিবন্ধন করুন
+3 টি ভোট
212 বার প্রদর্শিত
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (1,577 পয়েন্ট)

3 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (933 পয়েন্ট)
 
সর্বোত্তম উত্তর
এইডস রোগের প্রাথমিক লক্ষন নিচে দেওয়া হলো-

জ্বর
ARS আক্রান্তের একেবারে প্রথম দিকের লক্ষণ হতে পারে মৃদু জ্বর, যা প্রায় ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে এবং এর সাথে থাকতে পারে কিছু সাধারণ মৃদু উপসর্গ যথা, ক্লান্তি, লিম্ফ গ্লান্ডের স্ফীতি, এবং গলা ব্যাথা।
 
ক্লান্তি
শরীরের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা লোপ পেয়ে ব্যাথা বোধ হয় এবং এটির কারণে ক্লান্তি এবং তন্দ্রা ভাব হতে পারে। HIV এর প্রথম এবং পরবর্তী লক্ষণ উভয়ই হতে পারে ক্লান্তি বোধ।
 
ব্যাথা যুক্ত পেশী, জোড়াতে ব্যাথা, লিম্ফ স্ফীতি
ফ্লু, mononucleosis, বা অন্য কোনও রকমের ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, এমনকি সিফিলিস বা হেপাটাইটিস এর সাথে ARS লক্ষণ ভুল করা হতে পারে।
 
ত্বকে ফুস্কুড়ি
HIV/AIDS এর প্রথম দিকে এবং পরবর্তীতে চামড়ায় ফুস্কুড়ি দেখা দিতে পারে।
 
গলা এবং মাথা ব্যাথা
অন্যান্য লক্ষণের সাথে গলা এবং মাথা ব্যাথা অনেক সময় ARS এর প্রাসঙ্গিক লক্ষণ হতে পারে, প্রাথমিক অবস্থায় HIV ব্যপক সংক্রমনের কারণ হতে পারে।
 
বমি ভাব, বমি করা, ডায়রিয়া
HIV এর প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০% থেকে ৬০% লোক স্বল্প মেয়াদী বমি ভাব, বমি করা বা ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এ সকল লক্ষণ গুলি antiretroviral থেরাপির কারণে দেখা দিতে পারে এবং পরবর্তীতে সংক্রমণের কারণেও তা হতে পারে।
 
ওজন কমে যাওয়া
রোগের ব্যাপক আক্রান্তের সময়ে মারাত্মক ডায়রিয়াতে সংক্রমণের ফল স্বরূপ ওজন কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কোন আক্রান্ত ব্যাক্তি যদি ডায়রিয়া বা দুর্বলতা এবং জ্বরে ৩০ দিনের বেশী একাধারে ভোগে এবং ঐ সময়ে তার ১০% শরীরের ওজন হারায় তবে সে wasting syndrome এ আক্রান্ত বলে ধরে নেয়া হয়।
 
শুকনা কাশি
কয়েক সপ্তাহ ধরে যদি শুস্ক কাশি থাকে এবং সহজে সারবে না এমন মনে হয়, তবে তা HIV এর একটি লক্ষণ হতে পারে।
 
নিউমোনিয়া
জীবাণুর দ্বারা একটি মারাত্মক সংক্রমণ হল নিউমোনিয়া যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যদি সঠিক ভাবে কাজ না করে তবে হতে পারে।
অন্যান্য opportunistic সংক্রমণের মধ্যে আছে toxoplasmosis, একটি পরজীবী জনিত সংক্রমণ যা মস্তিস্ক কে আক্রান্ত করে; cytomegalovirus নামক হারপেস ভাইরাস; এবং thrush নামক ছত্রাক জনিত  সংক্রমণ।
 
রাত্রি কালীন ঘাম
সংক্রমণের পরবর্তী একটি সাধারণ অবস্থা হল রাত্রিকালীন ঘাম এবং এটি কোনরূপ পরিশ্রম বা রুমের তাপমাত্রার সাথে সম্পর্কিত নয়।
 
নখের পরিবর্তন
নখের পরিবর্তন যেমন clubbing (নখ পুরু হয়ে বেঁকে যাওয়া), নখ ভেঙ্গে যাওয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণের কারণে নখের রঙের পরিবর্তন (সমান্তরাল ভাবে বা আড়াআড়ি ভাবে কাল এবং বাদামী দাগ)।
 
ছত্রাকের সংক্রমণ
Candida এর কারণে এক ধরণের ছত্রাক জনিত মুখের সংক্রমণ হল Thrush।
 
বিভ্রান্তি বা মনোযোগে সমস্যা
বিভ্রান্তি এবং মনোযোগের অসুবিধা ছাড়াও, AIDS সম্পর্কিত dementia স্মৃতি শক্তির সমস্যার সাথে এবং আচরণ জনিত সমস্যা যেমন ক্রোধ বা খিটখিটে মেজাজ জনিত সমস্যার সাথে জড়িত।
 
ঠাণ্ডা জনিত প্রদাহ অথবা যৌনাঙ্গের হারপেস
হারপেস ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়াও HIV তে আক্রান্তের ঝুঁকির একটি অন্যতম কারণ। এটা এ কারণে যে যৌনাঙ্গের হারপেস এর কারণে ক্ষত হতে পারে যা যৌন ক্রিয়ার সময় খুব সহজে HIV সংক্রমণের কারণ হতে পারে।
 
Tingling এবং দুর্বলতা
এটিকে peripheral neuropathy বলা হয়, যাতে সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস যুক্ত ব্যাক্তিরা বেশী আক্রান্ত হয়ে থাকে।
 
অনিয়মিত ঋতুচক্র
ব্যাপক ভাবে HIV আক্রান্ত হলে অনিয়মিত ঋতুচক্রের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, যেমন তুলনামূলক কম এবং হালকা মাসিক হওয়া।
+1 টি ভোট
করেছেন (67 পয়েন্ট)

এইডস সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ের লক্ষণগুলো

১) দেহে লালচে দানা উঠা

২) প্রচণ্ড মাথা ব্যথা

৩) জ্বর

৪) গলা ভাঙ্গা

৫) লিম্ফগ্রন্থি ফুলে উঠা

সংক্রমণ পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষণগুলো

১) কোনো কারণ ছাড়া দ্রুত দেহের ওজন কমতে থাকা

২) জ্বরের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া

৩) কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হওয়া

৪) হাড়ের জয়েন্টগুলো ফুলে উঠা

৫) ডায়রিয়ায় আক্তান্ত হওয়া

সংক্রমণের শেষ পর্যায়ের লক্ষণগুলো

১) ৩ মাসের বেশি সময় ধরে হাড়ের জয়েন্টগুলো ফুলে থাকা

২) মুখ কিংবা জিহ্বা বাঁকা হয়ে যাওয়া। মাঝে মাঝে সাদা সাদা দাগ পরতে দেখা যায়।

৩) দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা শুরু হয়। সবকিছু অস্পষ্ট এবং বিকৃত দেখতে পাওয়া

৪) দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়ার সমস্যা থেকে যাওয়া

৫) টানা ২-৩ সপ্তাহ বা এরচাইতে বেশি সময় ধরে অনেক বেশি জ্বর থাকা

৬) মাথা ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হওয়া

৭) শুকনো কাশি এবং শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া

৮) রাতের বেলা অনেক বেশি ঘাম হওয়া

৯) প্রচণ্ড দুর্বলতা বোধ করা

বড়দের ক্ষেত্রে যেসকল লক্ষণগুলো দেখা দেয় শিশুদের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন হয়ে থাকে।

১) দৈহিক বৃদ্ধি স্বাভাবিক হারে না হওয়া

২) ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া

৩) কানের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, টনসিল ইত্যাদিসহ নানা ছোটোখাটো সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করা

৪) হাঁটতে সমস্যা হওয়া

৫) বুদ্ধি ও মেধা বিকাশে দেরি হওয়া।

করেছেন (5,504 পয়েন্ট)
 খুবই সুন্দর উত্তর।
0 টি ভোট
করেছেন (537 পয়েন্ট)
উত্তর: এইডস ১টি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এই ভাইরাসের নামHIV (Human Immunodeficiency Virus) । কোনো ব্যক্তির শরীরে HIV সংক্রমণ হলে তার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এই অবস্থাকে বেল AIDS (Acepquired Immun Deficiency Syndrome) । এ রোগ থেকে মক্তি পাওয়ার কোনো চিকিৎসাই আজ পর্যন্ত বের হয়নি। HIV আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ব্যবহৃত সুচ কারো শরীরে ব্যবহার করলে,HIV আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করলে বা HIV আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে যেকোনো তরল অংশ অন্যের শরীরে প্রবেশ করলে HIV হয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+6 টি ভোট
4 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
01 নভেম্বর 2018 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন kuddus (51 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
28 মে 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইকবাল হোসেন নিলয় (10,235 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
28 মে 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইকবাল হোসেন নিলয় (10,235 পয়েন্ট)
নির্বিক ডট কম এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।প্রশ্ন উত্তর করতে নিবন্ধন করুন।

18,901 টি প্রশ্ন

20,651 টি উত্তর

1,477 টি মন্তব্য

4,621 জন সদস্য

...