20 বার প্রদর্শিত
06 ফেব্রুয়ারি "মহাকাশ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (138 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
06 ফেব্রুয়ারি উত্তর প্রদান করেছেন (534 পয়েন্ট)
14 ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
বিগত ৩১শে জানুয়ারি, ২০১৮ তারিখে একটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হয়েছে। এ সময় চাঁদ পৃথিবীর নিকটতম অবস্থানে আসে এবং তাই চাঁদকে অন্যান্য সময়েের চেয়ে খানিকটা বড় দেখায়। অতিকায় আকারের এ চাঁদকে 'সুপারমুন' নামে অভিহিত করা হয়। এর আগে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ তে সর্বশেষ অতিকায় চাঁদ ঘটিত চন্দ্রগ্রহণ প্রত্যক্ষ করা হয়েছিলো।

গ্রেগরীয় সৌর বর্ষপঞ্জির একই মাসে দুটি পূর্ণিমা সংঘটিত হলে দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে 'ব্লু মুন' বা 'নীল চন্দ্র' বলা হয়। ৩১শে জানুয়ারি, ২০১৮ তারিখের পূর্ণিমাটি ছিলো এ মাসের দ্বিতীয় পূর্ণিমা। তাই, এ পূর্ণিমাটি 'অতিকায় চাঁদ' হবার পাশাপাশি 'নীল চন্দ্র'ও বটে। তবে, 'নীলচন্দ্র' নামের সাথে পূর্ণিমাকালীন চাঁদের রঙের কোন সম্পর্ক নেই।

৩১শে জানুয়ারি, ২০১৮ তারিখের পূর্ণিমাটির আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিলো, পূর্ণগ্রাস এই চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের দৃশ্যমান অংশ রক্তিম বর্ণ ধারণ। এ জন্য এ পূর্ণিমাকে 'ব্লাড মুন' বা 'রক্তাভ চন্দ্র' নামে অভিহিত করা হয়। বিরল তিন বৈশিষ্ট্য খ্যাত এ পূর্ণিমা চাঁদ 'সুপার ব্লু ব্লাড মুন' তথা অতিকায় রক্তাভ নীল চন্দ্র নামে আখ্যায়িত হয়েছে। এটি পৃথিবীর প্রায় সব স্থান থেকে দেখা গেছে। এর আগে ৩০শে ডিসেম্বর, ১৯৮২ সালে কেবল মাত্র পূর্ব গোলার্ধ থেকে দ্রষ্টব্য এই অতিকায় রক্তাভ নীল চন্দ্র দেখা গিয়েছিল। ৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ তারিখের পূর্ণিমার মত পৃথিবীর প্রায় সব স্থান থেকে দ্রষ্টব্য হয়েছে এমন ঘটনা এর আগে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিলো ৩১শে মার্চ, ১৮৬৬ সালে। দীর্ঘ ১৯ বছরের ১ মেটোনিক চক্র শেষে একই রকম ঘটনা আবারো প্রত্যক্ষ করা যাবে আগামি ২০৩৭ সালের ৩১শে জানুয়ারি।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
21 মে "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন At Munna (1,581 পয়েন্ট)
আপনার প্রশ্নটি জানান
নিরবিক একটি প্রশ্ন উত্তর সাইট। এটি এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।আর আপনি যদি সবজান্তা হয়ে থাকেন তাহলে অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
...