নিরভিকে ডট কমে আপনাকে স্বাগতম।এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।প্রশ্ন করতে নিবন্ধন করুন
19 বার প্রদর্শিত
"সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

বাংলাদেশে কি কি আইন আছে এবং ধারাগুলো কি?

এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন
বাংলাদেশের আইনকানুন সমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণীতে চিহ্নিত করা যায়; বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ফৌজদারী কার্যবিধি, এবং দেওয়ানী দন্ডবিধি। ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দন্ডবিধিকে আলাদাভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন নয়, এগুলো একে অপরের উপর নির্ভরশীল। অবশ্য এসব ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিশেষ আইন তৈরি হয়েছে।

দন্ডবিধি
দন্ডবিধি থেকে অপরাধ এবং অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে জানা যায়।  মোট ৫১১টি ধারা আছে দন্ডবিধিতে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ধারাগুলোর কোনটিতে অপরাধের বর্ণনা বা সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে আবার কোনটিতে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ বর্ণিত হয়েছে। ১৮৬০ সালে প্রথম ভারতীয় দন্ডবিধি প্রবর্তিত হয়। দন্ডবিধিকে একটি দেশের মৌলিক আইন বলা হয়ে থাকে।

ফৌজদারী কার্যবিধি
কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়। ফৌজদারী কার্যবিধিতে মোট ৫৬৫টি ধারা আছে, এসব ধারাগুলোর অনেকগুলোর আবার উপধারা আছে। ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।

ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়। ফৌজদারী কার্যবিধির চতুর্থ ভাগ অপরাধের প্রতিরোধ বিষয়ে নিবেদিত।

দন্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি কোনটা কি?
যেমন: কেউ কোন হত্যাকান্ডে অংশ নিলে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। দন্ডবিধির ২৯৯ এবং ৩০০ ধারা থেকে জানা যায় কোনটি খুন বা হত্যাকান্ড এবং দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় শাস্তির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।
কিন্তু কিভাবে এই মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে, কিভাবে তদন্তকার্য পরিচালনা করা হবে, কোন আদালতে মামলাটি দায়ের করতে হবে তথা বিষয়টি কোন আদালতের আওতাধীন, ইত্যাদি ফৌজদারী কার্যবিধি হতে জানা যায়।

দেওয়ানী কার্যবিধি
অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যক্রমে পুলিশের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। যেগুলো ফৌজদারী অপরাধ নয় সহজ ভাষায় সেগুলোই দেওয়ানী আদালতের আওতায় নেয়া হয়। বাড়ি-ঘর, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, আর্থিক দেনদেন সংক্রান্ত প্রসঙ্গ ইত্যাদি দেওয়ানী আদালাতের আওতাভুক্ত। দেওয়ানী আদালত কিভাবে তার বিচারকার্য পরিচালনা করবে দেওয়ানী কার্যবিধিতে তার উল্লেখ আছে। দেওয়ানী কার্যবিধিকে মোটাদাগে দুইভাগে ভাগ করা যায়: কার্যবিধি ও অর্ডার। প্রতিটি অর্ডারের আবার একাধিক রুল আছে।
নিরবিক একটি প্রশ্ন উত্তর সাইট। এটি এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।আর আপনি যদি সবজান্তা হয়ে থাকেন তাহলে অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
...