search
প্রবেশ
নির্বিক এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
0 টি ভোট
67 বার প্রদর্শিত
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে

1 উত্তর

3 টি ভোট

প্রথমে বলি, হাদিসে নয়; সরাসরি কোরআনে এমন কথা বলা আছে!            

"অতএব, মানুষের দেখা উচিত কি বস্তু
থেকে সে সৃজিত হয়েছে।সে সৃজিত
হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে।
এটা নির্গত হয় মেরুদণ্ড বক্ষপাঁজরের মাঝ
থেকে।" (সূরা তারেক -৫-৭)

কোরআন মজীদ কমপক্ষে ১১ জায়গায়
মানুষকে নুতফাহ (শুক্র ) থেকে সৃষ্টির
কথা বলেছে। ‘নুতফাহ’ মানে
সামান্য পরিমাণ তরল পদার্থ কিংবা
পেয়ালার নীচে অবশিষ্ট সামান্য
পরিমাণ তরল জিনিস।এ বিষয়ে কোরআন
মজীদের নিম্নোক্ত সূরা ও আয়াতে
উল্লেখ এসেছেঃ

২২:৫; ২৩:১৩;১৬:৪; ১৮:৩৭;৩৫:১১; ৩৫:৭৭;
৪০:৬৭; ৫৩:৪৬; ৭৫:৩৭;৭৬:২; ৮০:১৯

আর সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞানও একথা
নিশ্চিত করেছে যে,গড়ে ৩ মিলিয়ন
শুক্রকীট থেকে ১টি মাত্র শুক্রকীটই ডিম
নিষিক্তকরণের জন্য দরকার হয়।এর অপর
অর্থ হল উৎক্ষিপ্ত শুক্রকীটের ০.০০০০৩%
অংশই কেবল নিষিক্ত করণের জন্য দরকার।

আল্লাহ আরো বলেনঃ

“অতঃপর তিনি তার বংশধর সৃষ্টি
করেছেন তুচ্ছ পানির নির্যাস
থেকে।’ (সূরা আস সাজদাহ – ৮)

আর আমরাও জানি যে বীর্য নামক এক ধরণের নাপাক পানির অতি ক্ষুদ্র অংশ থেকে অর্থাৎ শুক্রাণু থেকে আমরা সৃস্টি হয়েছি। সুতরাং কথাটা কোরআন, বিজ্ঞান বা আমাদের জানাশোনা অনুযায়ী বানোয়াট নয়, বরং ১০০% সঠিক।


এ কথার মাধ্যমে মূলত ওলামাগণ আমাদের বোঝাতে চান যে, "আমরা এক সময় কত তুচ্ছ, নগন্য ছিলাম। তাহলে আমরা কেন এত অহংকার করি?" আশা করি উত্তর পেয়েছেন।
0
একদম সঠিক উত্তর পেয়েছি ধন্যবাদ ! ভাই আরেকটা এরখম প্রশ্ন ছিল
0
কোন প্রশ্নটা?  

এই প্রশ্নগুলিও দেখুন

0 টি ভোট
1 উত্তর
ওযু ভাঙ্গার কারণ সমূহের মাঝে এমন কোন কথা তো বলা নেই।আব্দুল্লাহ শাহেদ সাহেব একটি বিষয় নিয়ে উদাহারণ দিয়েছিলেন - "উটের মাংস খেলে ওযু ভেঙ্গে যায় কিন্তু ছাগলের মাংস খেলে ওযু ভাঙ্গে না কেন এরখম আরো প্রশ্ন ..... " ।এই কথাটা কি সহি হাদিসে আছে নাকি বানোয়াট ?
13 জুন 2020 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা Ainul VS Rimon
0 টি ভোট
1 উত্তর
আমার বয়স ১৭,প্রথমে আমার গলায় দেখা দেয়,তারপর আস্তে আস্তে ভালো হয়ে যায়,এক মাস পর দেখি আবার সেরকমমেই এবার আমার মুখে ওঠে এটার ভালো হওয়ার উপায় ঐলে,দয়া করে বলেন।
15 জুলাই 2020 "রূপচর্চা" বিভাগে জিজ্ঞাসা Joyanto Roy
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
আসসালামু আলাইকুম,  আমার প্রশ্ন হচ্ছে যদি কেউ এভাবে আল্লাহকে বলে যে আমি তোমার নামে অপমানমূলক/শিরকমূলক কথা বলবো আর এর বদলে তুমি আমাকে এই শাস্তি দিবা এরপর যদি সে সেই অপমান/শিরকমূলক কথাগুলো বলে ফেলে অথবা আল্লাহ তায়ালার নামে অপমান/শিরকমূলক কথা বলে নিজের জন্য নিজেই ... না দিয়েই?কোনোভাবে কি আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে যেকোনো ধরনের কামনাকৃত শাস্তি হতে কি রক্ষা পাওয়া যায়?রেফারেন্স সহ উত্তর দিলে উপকৃত হই!
20 এপ্রিল 2020 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা আরাফাত ইসলাম