search
প্রবেশ
নির্বিক এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।প্রশ্ন উত্তর করতে এখনই নিবন্ধন করুন।
23 বার প্রদর্শিত
"পড়াশোনা" বিভাগে

1 উত্তর

0 টি ভোট
। তকদিরে বিশ্বাস না করার কারনেই মানুষ মূলত কুসংস্কারের অনুসরন করে।আমরা কুসংস্কারকে না বলব।ইনশাআল্লাহ।কুসংস্কারে বিশ্বাস করার দ্বারা আমাদের ইমান নষ্ট হয়ে যাবে ফলে আমরা মুশরিক হয়ে যাবো।কেননা মানুষকে তকদিরের প্রতি অবিশ্বাসে অনুপ্রানীত করে এই কুসংস্কার যা শিরকের অন্তভূক্ত ফলে মানুষ বেইমান মুশরিক ও কাফের হয়ে মূত্যু বরন করবে যদি না তারা আল্লাহর কাছে তাওবা করে। নিচে কিছু কুসংস্কারের উদাহারন দেয়া হল ঔষধ খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলা যাবে না বলার ফলে নাকি রোগে বরকত হয়ে যাবে। পরিক্ষার সময় ডিম খাওয়া যাবে না খেলে নাকি পরিক্ষায় ডিম পাওয়া যাবে।জটলেগে থাকা ফল খেলে জট সন্তান হবে।গাড়ির চাকায় লাঠি দিলে দূর্ঘটনা হবে।রাতে কাওকে সুচ দিতে নেই দিলেও চুন বলতে হয় রাতে ময়লা পানি বাহিরে ফেলা যাবে না অর্ধেক শরীর রুদ্রে রেখে বসা যাবে না পুরুষেরা মুরগীরকলিজা খেতে পারবে না খেলে নাকি কলিজা ছোট হয়ে যাবে।মাছ মারতে গেলে জাল বর্শি বা পলোতে ঝাটা দিয়ে স্পর্শ করিয়ে নিতে হবে তাহলে নাকি ভালো মাছ পাওয়া যাবে।ভাঙ্গা আয়নায় মুখ দেখা যাবে না ঘর থেকে বাহির হয়ে কোথাও যাওয়ার সময় খালি কলসি দেখলে নাকি যাত্রা অমঙ্গল হবে।হাত থেকে কিছু পড়ে গেলে অমঙ্গল হবে ETC।

সম্পর্কিত প্রশ্ন

1 উত্তর