নির্বিক ডট কমে প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন,প্রশ্ন করতে রেজিস্ট্রেশন করুন
0 টি ভোট
65 বার প্রদর্শিত
13 মে "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (5,567 পয়েন্ট)
শিয়াদের কেন কাফের বলা হয় জানতে চাই।

এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

1 উত্তর

0 টি ভোট
18 ঘন্টা পূর্বে উত্তর প্রদান করেছেন (702 পয়েন্ট)
শিয়াদেরকে রাফেজীও বলা হয়। কারো মতে শিয়া বা রাফেজীরা ২০ দলে বিভক্ত, কারো মতে ৩২ দলে বা শাখায় বিভক্ত। দল যতটাই হোক না কেন, তারা মূলে এক আক্বীদাতেই বিশ্বাসী।তাদের মূল দল হলো- ইছনা আশারিয়াহ শিয়া। খোমেনীসহ বর্তমান ক্ষমতাশীন দল এ ফেরকারই অন্তর্ভূক্ত। নিম্নে শিয়াদের মূল দল ইছ্না আশারিয়া সম্প্রদায়ের কতিপয় জঘণ্য ও কুফরী আক্বীদা তুলে ধরা হলো-

# শিয়া ইমাম সম্পর্কে খোমেনীর আক্বীদা

আমাদের (শিয়া ইছনা আশারিয়া) মায্হাবের জরুরী আকায়েদের অন্যতম এই যে, আমাদের ইমামদের এমন মর্তবা ও স্তর অর্জিত আছে, যে মর্তবা বা স্তর কোন নৈকট্যশীল ফেরেশ্তা এবং নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরও নাই। (আল হুকুমাতুল ইসলামিয়াহ, পৃষ্ঠা-৫২)

সৃষ্টি জগতের প্রতিটি কণার উপর ইমামগণের আধিপত্য রয়েছে [আল হুকূমাতুল ইসলামিয়্যাহ পৃঃ ৫২]

# সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ সম্পর্কে শিয়াদের আক্বীদা

রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওফাতের পর তিনজন ব্যতীত (সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ সকলেই মুরতাদ, ধর্মত্যাগী হয়ে যান। (রাবী বলে) আমি আরজ করলাম সেই তিনজন কে? তিনি বলেন, মেকদাদ ইবনুল আস্ওয়াদ, আবূজর গিফারী এবং সালমান ফার্সী, তাদের প্রতি আল্লাহর রহমত ও বরকত হোক। (আল জামিউল কাফী- কিতাবুর রওজা, পৃষ্ঠা-১১৫)

# হযরত আবূ বকর(রাঃ) সম্পর্কে শিয়াদের বিশিষ্ট ইমাম ও মুজ্তাহিদ খোমেনীর আক্বীদা

সে (হযরত আবু বকর(রাঃ) ইহুদির কথা অনুসারে কলেমায়ে তাওহীদ ও কলেমায়ে রেসালত প্রকাশ্যে মূখে উচ্চারণ করেছিল এই আশায় ও লোভে যে, সম্ভবতঃ রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে শাসন ক্ষমতা ন্যস্ত করবেন। মনের মধ্যে সে কাফেরই ছিল। (আয়াতে বাইয়্যিনাত পৃষ্ঠা-৮৫ অনুরূপ রজয়্যিাহতে উল্লেখ আছে)

অথচ রাসুল(সাঃ)এর সাথে হিজরতকারী হচ্ছেন আবু বকর(রাঃ) এবং আল কুরআনের আয়াত, সূরা আত তাওবাহ 9:100

আর যারা সর্বপ্রথম হিজরতকারী ও আনছারদের মাঝে পুরাতন, এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ সে সমস্ত লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণসমূহ। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হল মহান কৃতকার্যতা।

# হযরত ওমর (রাঃ) সম্পর্কে শিয়াদের পরস্পর বিরোধী আক্বীদা

খোমিনী তার কুখ্যাত [কাশফুল আসরার] গ্রন্থে হযরত উমর ফারুক (রাঃ) কে অত্যন্ত কর্কশ ভাষায় কাফির ও যিন্দিক আখ্যায়িত করেছে ! [পৃঃ ১১৯]

শিয়ারা ওমর(রাঃ)কে কাফের মনে করে এবং আলী(রাঃ)কে নিষ্পাপ ইমাম মানে। তা সত্বেও তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবিক- আলী(রাঃ) নিজ মেয়ে উম্মে কুলসুমকে (হাসান ও হুসাইনের সহোদর বোন) ওমর(রাঃ) নিকট বিয়ে দেন !

(এ বিয়ে শিয়াদের বড় আলেমদের নিকটও স্বীকৃত, দেখুন : ‘আল-কুলাইনি ফিল কাফি ফিল ফুরু’ : (৬/১১৫), আততুসি ফি তাহজিবিল আহকাম, বাবু আদাদিন নিসা : (খ.৮/পৃ.১৪৮) ও (খ.২/পৃ.৩৮০), আত-তুসির রচনা ‘আল-ইসতেবসার’ : (৩/৩৫৬), আল-মাজেন্দারানি ফি মানাকিবে আলে-আবি তালেব : (৩/১২৪), আল-আমেলি ফি মাসালিকিল আফহাম : (১/কিতাবুন নিকাহ), মুরতাজা আলামুল হুদা ফিশ-শাফি : (পৃ.১১৬), ইব্ন আবিল হাদিদ ফি শারহে নাহজিল বালাগাহ : (৩/১২৪), আরদবিলি ফি হাদিকাতিশ শিয়াহ : (পৃ.২৭৭), শুশতরি ফি মাজালিসিল মুমিনিন : (পৃ.৭৬-৮২), আল-মাজলিসি ফি বিহারিল আনওয়ার : (পৃ.৬২১), আরো বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন আবু মুয়াজ ইসমায়েলীর রচনা : “যিওয়াজু ওমর ইব্নুল খাত্তাব মিন উম্মে কুলসুম বিনতে আলী ইব্ন আলী তালিব হাকিকাতান লা ইফতিরাআন”)

এ থেকে শিয়াদের দুইটি সিদ্ধান্তের একটি অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে, যার বাস্তবতা তাদের জন্য খুবই তিক্ত ও বিরক্তিকর:

এক. হয়তো আলী(রাঃ) নিষ্পাপ বা মাসুম নন, কারণ তিনি নিজ মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন কাফেরের সাথে!!!, এটা শিয়াদের মূলনীতি বিরোধী।

দুই. অথবা ওমর(রাঃ) মুসলিম!

এ দু’টি প্রশ্ন শিয়াদের নিরুত্তর করে দেয়।

# আলী(রাঃ) নেতৃত্ব সম্পর্কে শিয়াদের আকীদাঃ

শিয়ারা দাবি করে আলী (রা:) ছিলেন ওসিয়তকৃত আল্লাহর খলিফা ।শিয়ারা পূর্ববরতী খলিফাদের এই বলে গালিগালাজ করে যে তাঁরা নাকি আলী (রা) এর খিলাফাতকে আত্মসাৎ করেছে । নায়ুজুবিল্লাহ । শিয়ারা ধারণা করে যে, গাদিরে খুমে হাজারো সাহাবি উপস্থিত ছিল, যারা সকলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওসিয়ত শ্রবণ করেছে যে, তার মৃত্যুর পর আলী ইব্ন আলী তালিব সরাসরি খিলাফত লাভ করবে।

তাহলে সে হাজারো সাহাবি থেকে কেন একজন উপস্থিত হয়নি এবং আলী(রাঃ) পক্ষ নেয়নি, না আম্মার ইব্ন ইয়াসার, না মিকদাদ ইব্ন আমর, না সালমান ফারসি না বেলাল না আব্বাস –রাদিয়াল্লাহু আনহুম।

তারা কেন বলেনি : হে আবু বকর, তুমি কেন আলীর খিলাফাত আত্মসাৎ করছ। তাহলে তারাও কি আত্মসাৎকারীর পক্ষ নিল?

তাহলে আলী(রাঃ) যখন জানেন যে, তিনি ওসিয়তকৃত আল্লাহর খলিফা, তবে কেন তিনি আবু বকর, ওমর ও উসমান –রাদিয়াল্লাহু আনহুম- প্রমুখদের নিকট বায়‘আত করেছেন ?!

যদি তারা বলে : তিনি অপারগ ছিলেন, তাহলে অপারগ ব্যক্তি ইমামতের যোগ্য নয়, কারণ ইমামতের দায়িত্ব গ্রহণে যে সক্ষম, সেই তার উপযুক্ত।

যদি তারা বলে : তিনি সক্ষম ছিলেন, কিন্তু তিনি তার জন্য অগ্রসর হননি, তাহলে এটা খিয়ানত।

খিয়ানতকারী কখনো ইমামতের উপযুক্ত নয়! তাকে অধীনদের ব্যাপারে বিশ্বাস করা যায় না। -আলি(রাঃ) এসব থেকে মুক্ত- তোমাদের কোন সঠিক উত্তর থাকলে পেশ কর?

আবু বকর(রাঃ) বা উমর(রাঃ) বা ওসমান(রাঃ) খিলাফত এবং মৃত্যু হয়েছে আলী(রাঃ) উপস্থিতিতে।

তারা যদি কাফের বা জালিম হতেন তবে আলী(রাঃ) কি তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারন করতেন না???

সবচেয়ে বড় কথা, আলী(রাঃ) যখন খিলাফত গ্রহণ করেন, তখন তিনি তার পূর্বের খলিফাদের কোন বিরোধিতা করেননি। পূর্বের খলিফাদের যুগে মুসলিমদের নিকট সংরক্ষিত কুরআন ব্যতীত অন্য কোন কুরআন তিনি পেশ করেননি। তিনি কুরআনের কোন বিষয়ে মতবিরোধও করেননি।

#মুত্য়া বিবাহ সম্পর্কে শিয়াদের আক্বীদা

(শিয়াদের মতে হাদীসে আছে) যে ব্যক্তি একবার মুত্য়া করবে, সে হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার মর্তবা পাবে। যে দুইবার মুত্য়া করবে, সে ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার মর্যাদা পাবে, যে তিনবার মুত্য়া করবে, সে আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মর্তবা পাবে, যে চারবার মুত্য়া করবে, সে আমার (অর্থাৎ রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মর্যাদা পাবে। (ইরানী ইনক্বিলাব আওর ইমাম খোমেনী পৃষ্ঠা-২৭) নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।

যদি তুমি বল যে, কুরআন শরীফ-এ স্পষ্টভাবে (হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ইমামতের কথা উল্লেখ করা হলে শায়খাইন (হযরত আবূ বকর ও হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিরোধিতা করতে পারতো না, তারা এর বিরোধিতা করতে চাইলে সাধারণ মানুষ কুরআন শরীফ-এর বিপরীতে তাদের কথা কবুল করতো না। (খোমেনী বলে) এ ধারণা ভ্রান্ত, কেননা আমরা এ বিষয়ে কয়েকটি উদাহরণ পেশ করেছি, যার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, আবু বকর ও ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কুরআন শরীফ-এর সুস্পষ্ট বিধানের খেলাফ কাজও করেছেন। এবং সাধারণ মুসলমানগণ তা মেনে নিয়েছেন। (এরপর খোমেনী হযরত আবূ বকর সিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কর্তৃক নবী ওয়ারিছ সত্ব বাতিল ও হযরত ওমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কর্তৃক মুত্য়া বিবাহ নিষিদ্ধ করণের সমালোচনা করে) (কাশফুল আসরার পৃষ্ঠা-১১৫)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
0 টি উত্তর
07 সেপ্টেম্বর "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Muhibbulla (64 পয়েন্ট)
–2 টি ভোট
1 উত্তর
29 জুলাই "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ আসলাম উদ্দীন (15 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
29 জানুয়ারি "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃনাইম (113 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
+1 টি ভোট
1 উত্তর
28 জুন 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Farhan Monsur (4,094 পয়েন্ট)
নির্বিক ডট কম এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।প্রশ্ন উত্তর করতে নিবন্ধন করুন।

19,788 টি প্রশ্ন

21,621 টি উত্তর

1,597 টি মন্তব্য

4,956 জন সদস্য

...