নির্বিকে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করে আপনার সমস্যার সমাধান করে নিতে পারবেন।প্রশ্ন করতে নিবন্ধন করুন
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
61 বার প্রদর্শিত
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (2,619 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন
বর্ণনা করুন....?
বন্ধ

3 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (689 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
রোজার তাৎপর্য ও ফজিলত

মুফতি শাহেদ রহমানী এর বর্ণনাঃ

রোজা শুধু আল্লাহর জন্য। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিজের সঙ্গে রোজার সম্পর্ক ঘোষণা করেছেন। এমনিভাবে তিনি সব ইবাদত-বন্দেগি থেকে রোজাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছেন।

যেমন তিনি এক হাদিসে কুদসিতে বলেন, মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্য, কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম, তা শুধু আমার জন্য, আমিই তার প্রতিদান দেব। (মুসলিম -২৭৬০)

এ হাদিস দ্বারা আমরা অনুধাবন করতে পারি, নেক আমলের মাঝে রোজা রাখার গুরুত্ব আল্লাহর কাছে কত বেশি।

তাই সাহাবি আবু হুরাইরা (রা.) যখন বলেছিলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে অতি উত্তম কোনো নেক আমলের নির্দেশ দিন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তুমি রোজা রাখো। কারণ এর সমমর্যাদার আর কোনো আমল নেই। (নাসায়ি-২৫৩৪)

রোজার এত মর্যাদার কারণ কী, তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ভালো জানেন। তবে আমরা যা দেখি তা হলো, রোজা এমন একটি আমল, যাতে লোকদেখানো ভাব থাকে না। এটি বান্দা ও আল্লাহর মধ্যকার একটি অতি গোপন বিষয়। নামাজ, হজ, জাকাতসহ অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি কে সম্পাদন করল তা দেখা যায়। পরিত্যাগ করলেও বোঝা যায়। কিন্তু রোজার ক্ষেত্রে লোকদেখানো বা শোনানোর সুযোগ থাকে না। ফলে রোজার মধ্যে ইখলাস, আন্তরিকতা বা আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠতা নির্ভেজাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যেমন আল্লাহ বলেন, রোজাদার আমার জন্যই পানাহার ও সহবাস পরিহার করে। (মুসলিম-২৭৬৩)

* রোজাদার বিনা হিসাবে প্রতিদান লাভ করে থাকেন। কিন্তু অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি ও সৎকর্মের প্রতিদান বিনা হিসাবে দেওয়া হয় না। বরং প্রতিটি নেক আমলের পরিবর্তে আমলকারীকে ১০ গুণ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত প্রতিদান দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানব সন্তানের প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, কিন্তু রোজার বিষয়টি ভিন্ন। কেননা, রোজা শুধু আমার জন্য, আমিই তার প্রতিদান দেব। (মুসলিম-১৫৫১)
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (305 পয়েন্ট)
রোযা রাখার ফজিলত অনেক।এর প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন।রোযা মানুষকে তাকওয়া অর্জনে সহায়তা করে।মানুষকে আত্মসংযমী করে তোলে।তাকে জান্নাতের পথে নিয়ে যায়।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (424 পয়েন্ট)
রোযা ইসলামে ৫ স্তম্ভের মধ্য একটি।রোযা রাখার ফলে তাকওয়া অর্জন করা যায।রোজা রাখলে নিজের নফসকে দমন করা যায়।রোজা রাখার এমন ফজিলত যে এটার প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন।রোজা রাখলে ধনীরা বুঝতে পারে যে ক্ষুধার যন্এণা কেমন এর ফলে তারা গরবদের উপর সহায় হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
13 জুন 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইউনুস (4,906 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
20 মে 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন builderbd (1,176 পয়েন্ট)
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
07 মে 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন builderbd (1,176 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
29 জুন 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Siddique (4,696 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
নির্বিক এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে সমস্যার সমাধান করে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো সমস্যার সমাধান জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
এই মাসের সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী
March 2019:
  1. Asif Shadat
  2. S.M Shahid
  3. Mohammed Aziz Uddin
  4. Md.Waliullah
  5. শারিউল ইসলাম নাইম
...