0 পছন্দ 1 টি অপছন্দ
50 বার প্রদর্শিত
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (4,438 পয়েন্ট)
পৃথিবী ধ্বংস হতে আরো কত সময় রয়েছে এ নিয়ে কি কোনো মতবাদ রয়েছে বর্তমানে।

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (65 পয়েন্ট)
বিজ্ঞানীদের মতে যে ৭টি কারণে ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী! বিভিন্ন গল্প-সিনেমায় আমরা প্রায়শই দেখি, মূল ব্যাপার হলো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ভয়ানক কোনও উপায়। তাকে ঠেকাতে বা সেই ধ্বংস থেকে বাচতে আপ্রান চেষ্টা করতে মূল কিছু চরিত্র এবং তার মধ্য থেকে নায়ক নায়িকার প্রেম হয়ে গেছে। এখানে পৃথিবী ধ্বংসের যেসব ঘটনা দেখানো হয় সেগুলো বেশিরভাগ সময়েই উদ্ভট, যেমন বিশাল এক বন্যা, পৃথিবীর কেন্দ্রের ঘূর্ণন থেমে যাওয়া, ভিনগ্রহের প্রাণী/ বানরজাতীয় প্রাণীর আক্রমণ, জম্বি আক্রমণ ইত্যাদি। কিন্তু পৃথিবী যদি আসলেই ধ্বংস হয়ে যায় তবে তার পেছনে কি কারণ থাকতে পারে? এই প্রশ্নেরও রয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক উত্তর। দেখে নিন এমন কিছু ঘটনা যেগুলো ঘটার ফলে পৃথিবী আসলেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বর্তমান সময় বিজ্ঞানীদের অন্যতম মাথাব্যাথা হলো এই জিনিস। আপনি ভাবতে পারেন, কি আর হবে, গরমটা একটু বেশি লাগবে, লাগুক না! আসলে এটা আরও অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিভিন্ন এলাকায় খরা হয়ে মরুভুমি হয়ে যেতে পারে, কোনও কোনও এলাকা যাবে ডুবে। ফলাফল হিসেবে পৃথিবী হয়ে উঠতে পারে জীবনের অযোগ্য। গ্রহাণু সিনেমায় আমাদের দেখা আছে, পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এক বিশাল গ্রহাণু আর তাকে থামাতে পাঠানো হচ্ছে মহাকাশচারী। এই ঘটনা আসলেও কিন্তু ঘটতে পারে। মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে অগুনতি গ্রহাণু এবং তেমন আকৃতির অন্যান্য জ্যোতিষ্ক। এদের কোনও একটি অতর্কিতে পৃথিবীকে আঘাত করে বসলে আমাদের শেষ অনিবার্য। প্যানডেমিক রোগ লক্ষ্য করে দেখেছেন কি, ইদানিং প্রতি বছরই নতুন নতুন কোনও রোগের নাম আমরা শুনি যেগুলো পৃথিবীতে প্লেগের মতো ছড়িয়ে পড়ছে? যেমন SARS, বার্ড ফ্লু আর সাম্প্রতিক আরেকটি ভাইরাস MERS। এগুলো এত ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ার কারণ হলো, এখন বিশ্বে সব মানুষের মাঝে যোগাযোগ হয়ে পড়েছে আগের চাইতে অনেক বেশি বিস্তৃত। একটি মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ যদি মাথাচাড়া দেয় তবে খুব দ্রুত তা পৃথিবীর মানুষকে মেরে সাফ করে দিতে পারবে। এসব প্যানডেমিক রোগকে তাই আসলে ছোট করে দেখার কিছু নেই। জৈব অস্ত্র শুধু প্রাকৃতিক ভাইরাস নয়, মানুষের গবেষণার ফল হিসেবেও তৈরি হতে পারে এমন কোনও জীবাণু যা হয়ে উঠতে পারে ভয়ংকর। যুদ্ধে জৈবিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারে বা ভুল করেও যদি এগুলো প্রকৃতিতে ছড়িয়ে যায় তবে শুধু মানুষ নয় বরং পুরো জীবজগতেই নেমে আসতে পারে বিপর্যয়। যেমন সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা বার্ড ফ্লু H5N1 এর একটি মিউট্যান্ট প্রকরণ তৈরি করেন যা বাতাসের মাধ্যমে ছরাতে পারতো। এ ব্যাপারে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সংশ্লিষ্ট গবেষকদের। রোবট মানুষের বিপক্ষে রোবট বিদ্রোহ করে বসবে আর তাদের সাথে যুদ্ধ শুরু হলে হেরে যাবে মানুষ- এমন দৃশ্যপট কিন্তু একেবারে অমূলক নয়। মানুষকে মারতে পারে, এমন রোবট তৈরি করা খুবই সম্ভব। কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা ভয় পান “সিঙ্গুলারিটি” নামের একটি ব্যাপার, যখন মানুষের চাইতে রবতের বুদ্ধিমত্তা বেশি হবে। মানুষের মাঝে যদি এমন উন্নত বুদ্ধির রোবটের বিকাশ হয় তবে অনেক অঘটন ঘটার সম্ভাবনা থাকে। ফাঙ্গাস আমাদের পরিচিত ফাঙ্গাস বা ছত্রাক হয়ে উঠতে পারে ভাইরাসের মতোই বিপজ্জনক। এমনকি কিছুদিন আগেই জানা যায় এমন এক ফাঙ্গাসের কথা যা ব্যাঙের মৃত্যুর কারণ হয়ে পড়ে। মানুষের মাঝে এমন কোনও ফাঙ্গাস দেখা দিলে সেটা অনেক বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। পারমানবিক যুদ্ধ পারমানবিক অস্ত্র তৈরি না করার তাগিদ দেওয় হলেও এটা নিশ্চিত যে বর্তমানে পৃথিবীতে যে পরিমাণ পারমানবিক অস্ত্র আছে তাতে পৃথিবীর ধ্বংস খুবই সম্ভব। শক্তিশালী দেশগুলোর মাঝে যুদ্ধ লাগলে মানবজাতি এমনকি পুরো পৃথিবী থেকে প্রাণ নিশ্চিহ্ন হয়ে জেত্যে পারে। জনসংখ্যা বিস্ফোরণ ধরুন জনসংখ্যা বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকল যখন মানুষের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে গিয়ে উজাড় হয়ে গেলো পুরো পৃথিবী। বাড়তি জনসংখ্যার যে কুফল মানুষ এখন ভোগ করছে, তখন সেগুলো চরম আকারে দেখা দেবে। অনেকে আশা করছেন প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে স্থিতিশিল হয়ে উঠবে মানুষের জনসংখ্যা। কিন্তু কোনটা সত্যি হবে, সেটাই দেখার অপেক্ষা এখন। স্নোবল এফেক্ট এই সবগুলো কারনেই পৃথিবীর ধ্বংস সম্ভব, আবার এটাও সম্ভব যে প্রতিটির অবদান থাকবে পৃথিবী শেষ করে দেওয়ার পেছনে। ধরুন গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ফলে পরিবেশে তো পরিবর্তন আসলোই, তার সাথে বেড়ে গেলো জীবাণুর প্রকোপ। পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীব্যাপী মহামারী এবং দুর্ভিক্ষ শুরু হলো। গবেষকেরা বলছেন, এক ধাক্কায় হয়তো পৃথিবী ধ্বংস হবে না বরং এসব দুর্যোগ একটু একটু করে বসবাসের অযোগ্য করে তুলবে ছোট্ট নীল এই গ্রহটিকে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
1 দিন পূর্বে "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন শারিউল ইসলাম নাইম (4,438 পয়েন্ট)
6 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
15 ফেব্রুয়ারি 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Asif Shadat (1,851 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
2 টি উত্তর
26 মে 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন sakhawat062 (3,653 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
0 টি উত্তর
06 অক্টোবর 2018 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Abinashray (220 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
1 উত্তর
নির্ভীক এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে সমস্যার সমাধান করে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো সমস্যার সমাধান জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
এই মাসের সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী
February 2019:
  1. Md monirul
  2. শারিউল ইসলাম নাইম
  3. Amirul
  4. Morsalin hosen
  5. Tanim
...