search
প্রবেশ
নির্বিক এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।এখনই প্রশ্ন করা শুরু করুন।
0 টি ভোট
48 বার প্রদর্শিত
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে

2 উত্তর

0 টি ভোট
عن عمر بن الخطاب ؓ قال : بین ما نحن عند رسول اللہ۔ﷺ۔ ذات یوم اذ طلع علینا رجل شدید بیاض الثیاب شدید سواد الشعر لا یری علیہ اثر السفر و لا یعرفہ منا أحد حتی جلس الی النبی ۔ﷺ۔ فاسند رکبتیہ الی رکبتیہ و وضع کفیہ علی فخذیہ و قال :...أخبرنی عن الایمان ‘ قال : أن تؤمن باللہ و ملٰئکتہ وکتبہ ورسلہ والیوم الاٰخر وتؤمن بالقدر خیرہ وشرہ قال : صدقت۰ رواہ مسلم فی ’’صحیحہ‘‘ برقم (۱) کتاب الایمان . باب بیان الایمان و الاسلام والاحسان.


অর্থ: হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) থেকে (হাদীসে জিবরাঈলে) বর্ণিত আছে, তিনি বলেন: একদা আমরা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে অবস্হান করছিলাম, ইত্যবসরে এক ব্যক্তি এসে আমাদের মাঝে উপস্থিত হল যার পোষাক ছিল ধবধবে সাদা, চুলগুলো ছিল কুচকুচে কালো, তার মাঝে সফরের কোন চিহ্ন পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। আমাদের কেউ তাকে চিনতেও পারছিলনা। লোকটি এসে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে বসে পড়ল এবং নিজের হাঁটুকে তার হাঁটুর সাথে টেক লাগিয়ে বসল, আর স্বীয় হাতকে স্বীয় রানের উপর রাখল। তারপর (সে কয়েকটি প্রশ্ন করল তার মধ্যে একটি প্রশ্নে) সে জিজ্ঞেস করল: আপনি আমাকে বলুন যে, ঈমান কি জিনিস? (অর্থাৎ ঈমানের আরকান কয়টি?) তিনি জবাব দিলেন যে, ঈমান হল: ১-তুমি আল্লাহ্‌র প্রতি ২-তাঁর ফেরেশতাগণের প্রতি ৩-তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি ৪-তাঁর রাসূলগণের প্রতি ৫-শেষ দিবসের প্রতি ৬-ভাল-মন্দ ভাগ্যের প্রতি বিশ্বাস স্হাপন করবে। (প্রিয় নবীজীর এ জবাব শুনে) লোকটি বললঃ আপনি সত্যিই বলেছেন। সূত্র:মুসসিম শরীফ হাদীস নং(১)


উল্লেখ্য যে, বর্ণিত হাদীসে প্রশ্নকারী ব্যক্তিটি ছিলেন হযরত জিবরাঈল (আঃ), তিনি সাহাবায়ে কিরামকে দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো শিক্ষা দেওয়ার জন্য আল্লাহ তা’আলা পক্ষ থেকে মানুষের আকৃতিতে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে এসেছিলেন, যা হাদীসের শেষাংশে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে।


বলা বাহুল্য, বর্ণিত হাদীসে ঈমানের হাকীকত কি? এ প্রশ্নের জবাবে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছয়টি জিনিস উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হল ঈমানের আরকান, এর সব গুলোকে এবং তার আনুসাঙ্গিক বিষয়কে মনে প্রাণে বিশ্বাস করার নাম হল ঈমান এবং বিশ্বাসকারীকে বলা হয় মুমিন । এর মধ্য হতে কোন একটিকে অস্বীকার করলে বা সন্দেহ করলে বা ঠাট্টা করলে তার ঈমান থাকবে না বরং সে কাফির হয়ে যাবে।
0 টি ভোট
ঈমানের মর্মার্থ হলো জ্ঞান ও প্রত্যয়, অর্থাৎ জানা ও মেনে নেয়া। মানুষ ততণ পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য করতে পারে না, যতণ না সে কতগুলো বিশেষ জ্ঞান লাভ করে এবং সে জ্ঞান প্রত্যয়ের সীমানায় পৌঁছে। সবার আগে মানুষের প্রয়োজন আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে পূর্ণ প্রত্যয় লাভ। কেননা আল্লাহ আছেন  এ প্রত্যয় যদি তার না থাকল, তাহলে কী করে সে তাঁর প্রতি আনুগত্য পোষণ করবে? যতণ পর্যন্ত মানুষ আল্লাহর গুণরাজি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অধিকারী না হবে ততণ চিন্তায়, আচরণে ও কর্মে ইসলামের সহজ সরল পথে চলার জন্য অপরিহার্য গুণরাজি তার ভেতরে সৃষ্টি হতে পারে না। সে জ্ঞানও কেবল জানার সীমার মধ্যে গণ্ডিবদ্ধ হয়ে থাকলে চলবে না, বরং তাকে প্রত্যয়ের সাথে মনের মধ্যে দৃঢ় বদ্ধমূল করে নিতে হবে, যেন মানুষের মন তার বিরোধী চিন্তা থেকে এবং তার জীবন তার জ্ঞানের প্রতিকুল কর্ম থেকে নিরাপদ থাকতে পারে না।

এই প্রশ্নগুলিও দেখুন

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
20 মে 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা builderbd
1 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
1 টি ভোট
1 উত্তর