16 বার প্রদর্শিত
"পদার্থ বিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (1,111 পয়েন্ট)

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (1,096 পয়েন্ট)
মহাশূণ্য অথবা মহাকাশ বলতে সাধারণভাবে মাথার উপরকার অনন্ত আকাশ বোঝানো হলেও বস্তুত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলসমৃদ্ধ আকাশকে পৃথিবীর আকাশ বলা হয়। তাই পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে মহাকাশ হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরের অনন্ত স্থান। এ আকাশসীমায় অতি অল্প ঘনত্বের বস্তু বিদ্যমান। অর্থাৎ শূন্য মহাশূন্য পুরোপুরি ফাঁকা নয়। প্রধানত, অতি অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন প্লাজমা, তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, চৌম্বক ক্ষেত্র এবং নিউট্রিনো এই শূন্যে অবস্থান করে। তাত্ত্বিকভাবে, এতে কৃষ্ণবস্তু এবং কৃষ্ণশক্তি বিদ্যমান।মহাশূন্য এমন অনেক কিছু আছে যা মানুষ এখনও কল্পনা করতে পারেনি।
প্রাথমিক বিবেচনায় মহাকাশূন্যে পদার্থ এবং প্রতিপদার্থ রয়েছে। তবে বিশদ বিবেচনায় মহাকাশূন্যের উপাদানসমূহ হলো:

তেজস্ক্রীয় পদার্থ (যেমন: তারকা বা তারা বা সূর্য, ধূমকেতু)
অতেজষ্ক্রীয় পদার্থ (যেমন: গ্রহ, উপগ্রহ, বামন গ্রহ, উল্কা)
গ্যাসীয় পদার্থ (যেমন: হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, নাইট্রোজেন, সালফার ইত্যাদি)
প্রতিপদার্থ (যেমন: এন্টিপ্রোটন, এন্টিইলেক্ট্রন)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
21 মে "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Siddique (3,955 পয়েন্ট)
বাংলা প্রশ্ন উত্তর এর সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম নিরবিক। যেকোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা থাকলে আজই প্রশ্ন করো। আর যদি তুমি সবজান্তা হও, তাহলে উত্তর দিয়ে অন্যের উপকার করতে পারো অনায়াসে।
এই মাসের সবচেয়ে সক্রিয় সদস্যবৃন্দ
October 2018:
  1. রঞ্জন কুমার বর্মণ
  2. md.shanto
  3. Farhan
  4. shadat
  5. Tanzil
...