search
প্রবেশ
নির্বিক এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।এখনই প্রশ্ন করা শুরু করুন।
2 টি ভোট
59 বার প্রদর্শিত
"পদার্থ বিজ্ঞান" বিভাগে

1 উত্তর

1 টি ভোট
মহাশূণ্য অথবা মহাকাশ বলতে সাধারণভাবে মাথার উপরকার অনন্ত আকাশ বোঝানো হলেও বস্তুত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলসমৃদ্ধ আকাশকে পৃথিবীর আকাশ বলা হয়। তাই পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে মহাকাশ হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরের অনন্ত স্থান। এ আকাশসীমায় অতি অল্প ঘনত্বের বস্তু বিদ্যমান। অর্থাৎ শূন্য মহাশূন্য পুরোপুরি ফাঁকা নয়। প্রধানত, অতি অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন প্লাজমা, তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, চৌম্বক ক্ষেত্র এবং নিউট্রিনো এই শূন্যে অবস্থান করে। তাত্ত্বিকভাবে, এতে কৃষ্ণবস্তু এবং কৃষ্ণশক্তি বিদ্যমান।মহাশূন্য এমন অনেক কিছু আছে যা মানুষ এখনও কল্পনা করতে পারেনি।
প্রাথমিক বিবেচনায় মহাকাশূন্যে পদার্থ এবং প্রতিপদার্থ রয়েছে। তবে বিশদ বিবেচনায় মহাকাশূন্যের উপাদানসমূহ হলো:

তেজস্ক্রীয় পদার্থ (যেমন: তারকা বা তারা বা সূর্য, ধূমকেতু)
অতেজষ্ক্রীয় পদার্থ (যেমন: গ্রহ, উপগ্রহ, বামন গ্রহ, উল্কা)
গ্যাসীয় পদার্থ (যেমন: হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, নাইট্রোজেন, সালফার ইত্যাদি)
প্রতিপদার্থ (যেমন: এন্টিপ্রোটন, এন্টিইলেক্ট্রন)

এই প্রশ্নগুলিও দেখুন

1 টি ভোট
1 উত্তর
1 টি ভোট
1 উত্তর
তাড়াতাড়ি বলুন।
15 ফেব্রুয়ারি 2019 "পদার্থ বিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা Md monirul
1 টি ভোট
1 উত্তর
3 টি ভোট
2 টি উত্তর
পৃথিবীর ইতিহাস সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ব্যাখা জানতে চাই।
09 মার্চ 2018 "পদার্থ বিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা Md tushar
5 টি ভোট
1 উত্তর
3 টি ভোট
1 উত্তর
বিবর্তনবাদ কী? বিবর্তনবাদ কি সত্য। বিস্তারিত জানালে উপকৃত হবো
12 ডিসেম্বর 2017 "পদার্থ বিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা Md tushar