নিরভিকে ডট কমে আপনাকে স্বাগতম।এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।প্রশ্ন করতে Ask a Question ক্লিক করুন।
3 like 0 dislike
26 views
asked in বিজ্ঞান by (1,626 points)
closed by
closed with the note: only admin can answere this

2 Answers

1 like 0 dislike
answered by (1,626 points)
 
Best answer

কোষের ভেতর আমরা ক’জন

কোষঝিল্লীটা অতিক্রম করে কোষের ভেতরে ঢুকলে পরে প্রথমেই যে জিনিসটা নজরে পড়বে সেটা হলো অনেক লম্বা এবং বেশ মোটা অসংখ্য দড়ি কোষের সবদিক থেকে সবদিকে জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। আর সেইসাথে অনেকগুলো গাছের গুঁড়ি আর ডালপালার মতো কী যেন চারদিকে ছড়ানো। যেন কোনো গহীন বনের মধ্যে এসে পড়া গেল। একটা তাঁবু খাটাতে যেমন দড়ি আর খুঁটি লাগে, যেগুলো তাঁবুর আকৃতি রক্ষা করে, ঠিক তেমনি ঐ দড়ি আর গাছপালার মতো জিনিসগুলো ভেতর থেকে কোষটাকে ধরে রাখছে। দড়িগুলোতে দেখো একটা অদ্ভূত ব্যাপার আছে। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাতায়াতের জন্য কেবল কার (cable car) দেখেছো? ঐ যে দড়িতে ঝুলতে ঝুলতে একটা কামরা চূড়া থেকে চূড়ায় যায়। কোষের ভেতরের ঐ দড়িগুলোতে দেখা যাচ্ছে ওরকম কিছু যাতায়াত করছে। সম্ভব্য সবদিক হতে সম্ভব্য সবদিকে বিরামহীনভাবে চলছে সেই কেবল কারগুলো। ভালো করে লক্ষ্য করলে আরো দেখবে যে ঐ দড়িদড়াগুলো, যেগুলোতে কেবল কার চলছে, সেগুলোর অস্তিত্ব স্থির নয়। দড়িগুলো যে অণু দিয়ে তৈরি সেগুলো একপ্রান্ত হতে ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, আবার পরক্ষণেই অন্য কোথাও নতুন করে অণুগুলো সজ্জিত হয়ে তৈরি করছে নতুন একগোছা দড়ি। যেন নদীর একুল ভাঙা ওকুল গড়া খেলা! এই দড়িদড়া আর গাছপালাগুলো নিয়ে গঠিত হয়েছে কোষকঙ্কাল (cytoskeleton)। এগুলো সব বিভিন্ন প্রোটিন অণু দিয়ে তৈরি।

প্রশ্ন হলো, ঐ কেবল কারগুলো আসছেই বা কোথা থেকে আর যাচ্ছেই বা কোথায়? কয়েকটাকে দেখলাম সোজা গিয়ে কোষঝিল্লীতে আঘাত করে তার মধ্যে মিশে হারিয়ে গেল। ও... এগুলোই বুঝি বাইরের পাশ থেকে বুদ্বুদের ভেসে ওঠার মতো লাগছিল [২.১.৩ দ্রষ্টব্য]। তাইতো বলি! ঐ কেবল কারগুলো তাহলে ট্রান্সপোর্ট ভেসিকল। এরা কোষঝিল্লীর মতোই দ্বিস্তরী লিপিডে আবৃত জিনিস যারা বিভিন্ন জৈব অণু (মূলত প্রোটিন) বয়ে নিয়ে বেড়ায়। কিছু ভেসিকল যেমন কোষের ভেতর থেকে এসে কোষঝিল্লীর সাথে মিশছে, তেমনি কিছু ভেসিকল দেখো কোষঝিল্লী থেকে উৎপন্ন হয়ে কোষকঙ্কালের দড়ি ধরে ভেতরের দিকে চলছে। এগুলো নিশ্চয়ই ফ্যাগোসাইটোসিস বা পিনোসাইটোসিসের মাধ্যমে [২.১.৩ দ্রষ্টব্য] উৎপন্ন ভেসিকল। তাই এগুলোর নাম ট্রান্সপোর্ট ভেসিকল নয়, ফ্যাগোসাইটোটিক (বা পিনোসাইটোটিক) ভেসিকল, যদিও শুধু বাহ্যিক গঠন দেখে এদেরকে ট্রান্সপোর্ট ভেসিকল থেকে আলাদা করা মুশকিল। ওদিকে দেখো দুটো ভেসিকল একে অপরের দিকে সাঁই সাঁই করে ছুটে আসছে। লাগলো বলে! এবার কি হবে? বিস্ফোরণ? কিন্তু না। দুটো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে যেমনটা হয়, তেমন কিছু হলো না। বরং, দুটো ভেসিকল মিলে একটা বড় ভেসিকল তৈরি করলো। সাবানের ফেনার দুটো বুদ্বুদ মিলে একটা বড় বুদ্বুদ তৈরি হলো যেন। তারপর সেই ভেসিকলটা আপন গতিতে দড়িপথে চলতে চলতে কিছুণের মধ্যেই দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেলো। এইমাত্র যে অদ্ভূত ঘটনাটা আমরা ঘটতে দেখলাম তার দুটি ব্যাখ্যা হতে পারে। এক. দুটো ভেসিকলের একটা ছিল লাইসোজোম এবং আরেকটা ছিল ফ্যাগোসাইটোটিক ভেসিকল। অথবা দুই. একটা কোষ-গহ্বর (vaccule) আর অপরটা ট্রান্সপোর্ট ভেসিকল। প্রথম ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে, কোষটি বাইরে থেকে একটা বড়সড় অণু ধরে লাইসোজোমের এনজাইমের মাধ্যমে সেটাকে হজম করলো। তখন সেই মিলিত বড় ভেসিকলটার নাম হলো ফ্যাগোলাইসোজোম, সে ঐ হজম করা অণুর টুকরোগুলো যথাস্থানে পৌঁছে দিতে চলে গেল। দ্বিতীয় ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে, ব্যাংকে টাকা জমা করার মতো কোষ-গহ্বরে কোনো অণু জমা করা হলো। ব্যাংক যেমন তার জমা টাকা বিনিয়োগ করে বা ব্যবসায় খাটায় তেমনি ঐ কোষ-গহ্বরও হয়তো ছুটলো অণুগুলো বিনিয়োগের খোঁজে।

সবাই সাবধানে চলো। চারপাশে হুশহুশ করে বিভিন্ন অণু ও পদার্থকণা ব্রাউনীয় গতিতে [২.১.২ দ্রষ্টব্য] বেহুঁশের মতো ছুটছে। এখানে-ওখানে অণুগুলোর মধ্যে এলোপাথাড়ি সংঘর্ষও হচ্ছে। ওগুলোর একটার সাথে টক্কর লাগলে শরীরটা আর আস্ত থাকবে না।

বাইনোকুলারে এখনো নিউক্লিয়াসের দেখা পাইনি। তবে অনেকগুলো সুড়ঙ্গ মতো দেখতে পাচ্ছি। সেগুলো পরস্পর সমান্তরাল। ঠিক যেন পুরোনো ঢাকার অলি-গলি-তস্যগলি। ওরকম গলিগুলোর দুপাশটা যেমন দালানের দেয়াল দিয়ে সীমাবদ্ধ, তেমনি দূরবীনের মধ্য দিয়ে দেখতে পাচ্ছি সুড়ঙ্গগুলোর দেয়াল। সে দেয়াল শুধু দু’দিকে নয়, উপর-নিচে-চতুর্দিকে। যেন সেই দেয়াল ভেদ না করে সুড়ঙ্গের ভেতরে ঢোকার উপায় নেই। পাশাপাশি সুড়ঙ্গগুলোর মধ্যে মধ্যে আবার সংযোগ আছে কিনা সেটা বোঝা যাচ্ছে না। যদি থাকে তাহলে সুড়ঙ্গসমষ্টি হলো এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম। আর যদি একসারি সুড়ঙ্গের সাথে আরেক সমান্তরাল সুড়ঙ্গ সারির কোনো সরাসরি সংযোগ না থাকে তাহলে সেটা গলজি বস্তু। আরেকটু কাছে না গেলে সংযোগগুলো ঠাহর করা যাবে না, নিশ্চিত করে বলাও যাবে না। তবে গলজি বস্তু বা এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম - যেটাই হোক, একটা কথা ঠিক, নিউক্লিয়াসকে ওগুলোর আশেপাশেই পাবো। ঠিক যেমন কান টানলে মাথা আসে। তাহলে সুড়ঙ্গগুলো লক্ষ্য করে এগোনো যাক। অর্থাৎ আমরা এখন কোষঝিল্লী থেকে নিউক্লিয়াসের দিকে এগোচ্ছি। চলতে চলতে মাঝেমধ্যে ইয়াব্বড় সাবমেরিনের মতো কিছু বস্তুকে কোষকঙ্কালের ফোকরে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে। সত্যিই যেন কোনো সাবমেরিন সমুদ্রতলের পর্বত আর গাছপালার দঙ্গলের মধ্যে আটকা পড়েছে। সেগুলোর গা থেকে প্রতিনিয়ত অসংখ্য অণু ও কণা বের হচ্ছে আর ঢুকছে। সাবমেরিনগুলো হলো মাইটোকন্ড্রিয়া - কোষের শক্তিকেন্দ্র। ওতে ফেরার পথে ঢুকবো। আগে কোষের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান নিউক্লিয়াস দর্শন করে আসি।

আমাদের এই কোষটা যদি উদ্ভিদকোষ হয় তবে পথিমধ্যে ফাইং সসারের মতো উভয়-উত্তল লেন্স আকৃতির কিছু সবুজ রঙের জিনিস দেখবো যেগুলো কোষকঙ্কালের ভেতরে আটকে আছে। যেন কোনো এলিয়েন মহাকাশযান ক্র্যাশ-ল্যান্ডিং করেছে। ওগুলো প্লাস্টিড। ওখানেই সালোক সংশ্লেষণ হয়। আর প্রাণীকোষ হলে প্লাস্টিড পাবো না, কিন্তু একজোড়া মজার জিনিস দেখবো যা উদ্ভিদকোষে নেই। দেখো কোষ কঙ্কালের মধ্যে দুটো সিলিন্ডার আকৃতির জিনিস পাশাপাশি আটকে আছে। পরস্পরের সাথে সমকোণে। সিলিন্ডার দুটোর প্রতিটিকে বলে সেন্ট্রিওল। আর দুটোকে একসাথে বলে সেন্ট্রোজোম। প্লাস্টিড থাকে অনেকগুলো কিন্তু একটা কোষে সেন্ট্রোজোম থাকে কেবল একটাই। সেন্ট্রিওলের গঠনটা দেখো বড়ই নকশাদার। সিলিন্ডারের দেয়ালটা লম্বালম্বি নয়টা টুকরো নিয়ে তৈরি। প্রতিটি টুকরো আবার তিনসারি প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত। কী পছন্দ হয়েছে? ঘর সাজানোর জন্য নিতে চাও? কিন্তু নেওয়াটা ঠিক হবে না। কারণ সেন্ট্রোজোম ছাড়া যে প্রাণীকোষের বিভাজন হয় না। তুমি নিশ্চয়ই চাওনা যে এই কোষটার বিভাজন অকালে বন্ধ হয়ে যাক!

চারপাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে আর গল্প করতে করতে কখন যে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের কাছে চলে এসেছি টেরই পাইনি। দেয়ালগুলো দেখেছো? দূরবীনে বোঝা যায়নি কিন্তু দেখো এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের কোনো কোনো অংশের দেয়ালে কেমন ফুসকুড়ির মতো দেখা যাচ্ছে। ঘামাচি হয়েছে যেন! আরেকটু কাছে গিয়ে দেখো। ফুসকুড়িগুলো এক একটি জটিল গুটলির মতো। প্রতিটি গুটলির দুটো বলের মতো অংশ রয়েছে। যেন একটা পিংপং বলের সাথে একটা টেনিস বল আঠা দিয়ে জোড়া। আর তার মাঝখানে একটুকরো সুতোর মতো জিনিস আটকে আছে। সুতোর মতো জিনিসটা আবার স্থির নয়, গুটলিটার সাপেক্ষে একটু করে সরে সরে যাচ্ছে যেন। দেখো দেখো, গুটলি থেকে আরো একটা সুতো বেরোচ্ছে আগের সুতোটার সাথে লম্বভাবে, সেটার দৈর্ঘ্য ক্রমশঃ বাড়ছে। প্রথম সুতোটা যতোই সরছে, দ্বিতীয় সুতোটা ততো লম্বা হচ্ছে। তবে সেটা আসলে কতটা লম্বা হলো তা বোঝা যাচ্ছে না। কারণ তার একপ্রান্ত এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের দেয়াল ফুঁড়ে ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। কোনো সুতোর দৈর্ঘ্য বুঝতে হলে তো তার দুই প্রান্তই দেখতে পাওয়া চাই। আরো ভালো করে খেয়াল করলে দেখবে, গুটলিতে প্রতিমুহূর্তে অসংখ্য অণু ঢুকছে আর বেরোচ্ছে। এরকম অনেকগুলো গুটলি এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের কোনো কোনো অংশে লেগে থাকায় তার দেয়ালের ঐ অংশটা অমসৃণ দেখাচ্ছে। আর যেখানে গুটলি লেগে নেই সেখানটা মসৃণ। ঐ গুটলিগুলো হলো রাইবোজোম। ওগুলোর পিংপং বলের মতো খণ্ডটিকে বলে ছোট উপাংশ (small subunit) আর টেনিস বলের মতো খণ্ডটি বড় উপাংশ (large subunit)। যে সুতোটা রাইবোজোমের মধ্য দিয়ে সরে সরে যাচ্ছে সেটা একধরণের আরএনএ (RNA) আর যে সুতাটা লম্বালম্বিভাবে বাড়তে বাড়তে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের দেয়াল ফুঁড়ে ঢুকছে সেটা সদ্য নির্মিত প্রোটিন (বা পেপটাইড) অণু। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে লক্ষ্য করলে দেখবে, রাইবোজোম শুধু যে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়েই লেগে আছে তা নয়। কিছু রাইবোজোম সাইটোসলে মুক্তভাবে ভাসমান। সুতোর মতো আরএনএ অণুগুলো ব্রাউনীয় গতিতে ভাসতে ভাসতে যখন রাইবোজোমের সংস্পর্শে আসে তখন তার অদ্ভূত পরিবর্তন ঘটে। সে ঐ আরএনএ সমেত পাগলা ঘোড়ার মতো উল্টাপাল্টা ছুটতে ছুটতে নিকটবর্তী এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে লেগে যায়। সেইসাথে চলতে থাকে প্রোটিন (বা পেপটাইড) তৈরি, যা আসলে বিভিন্ন এমিনো এসিড পাশাপাশি বসে গঠিত হয়। আরএনএতে থাকা নির্দেশ মোতাবেক এক একটি এমিনো এসিড পরপর যুক্ত হয়ে প্রোটিন (বা পেপটাইড) তৈরি হতে থাকে। এটাই তোমার দেখা দ্বিতীয় সুতো যেটা ক্রমশঃ লম্বা হচ্ছিল। একের পর এক এমিনো এসিড যুক্ত হতে থাকলে তো সেটা লম্বা হবেই! প্রোটিন (বা পেপটাইড) তৈরি হতে না হতেই এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ভেতর জমা হয়। সুতোটাকে দেয়াল ফুঁড়ে ভেতরে ঢুকে যেতে দেখেছিলে, মনে পড়ে?

0 like 0 dislike
answered by (1,626 points)
এই মুহূর্তে যে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম মসৃণ পরমুহূর্তেই রাইবোজোম লেগে সেটা অমসৃণ হয়ে যেতে পারে। আবার উল্টোটাও ঘটে, প্রোটিন অণু তৈরি সম্পন্ন হলে রাইবোজোম যখন এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাই মসৃণ-অমসৃণ ব্যাপারটা চিরস্থায়ী কিছু নয়। প্রোটিন তৈরির জন্য রাইবোজোমকে সবসময় এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে লাগতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কখনও কখনও মুক্ত রাইবোজোমেও প্রোটিন তৈরি হয়।

রাইবোজোম, সেন্ট্রোজোম আর কোষকঙ্কাল ছাড়া কোষের ভেতরে এখন পর্যন্ত যতগুলো অঙ্গাণু দেখলাম, তাদের সবারই নিজস্ব ঝিল্লী আছে। সেসব ঝিল্লী কিন্তু কোষঝিল্লীর মতোই - দ্বিস্তরী লিপিড দিয়ে তৈরি, মধ্যে মধ্যে ভাসছে ঝিল্লী প্রোটিন। এই ঝিল্লীগুলোও অর্ধভেদ্য। এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের দেয়াল আসলে তার ঝিল্লী বৈ আর কিছু নয়। বাইরে থেকে ওর ভেতরে ঢোকার জন্য সুবিধাজনক চ্যানেল প্রোটিন পাচ্ছি না। আবার ঢুকতেও খুব ইচ্ছে করছে। কী করা যায়?

একটা বুদ্ধি পেয়েছি! পাশেই নিউক্লিয়াস। তারও ঝিল্লী আছে। নিউক্লিয়াসের ঝিল্লীর গায়ে বড় বড় ফুটোওয়ালা চ্যানেল প্রোটিন আছে যেখান দিয়ে বিশাল বিশাল আরএনএ অণু বেরিয়ে আসতে পারে। ঐ ফুটোগুলোকে বলে নিউক্লিয়ার পোর। ওখান দিয়েই আরএনএ অণু বেরিয়ে এসে রাইবোজোমে যুক্ত হচ্ছে। পোরগুলো অণুর পক্ষে বড় হলেও আমাদের পক্ষে বেশ ছোটোই বলতে হবে। তারপরও চেষ্টা-চরিত্র করে নিউক্লিয়াসে ঢুকে গেলাম। এখন?
নিরবিক ডট কম একটি প্রশ্ন উত্তর সাইট। এটি এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।আর আপনি যদি সবজান্তা হয়ে থাকেন তাহলে অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।