• নিবন্ধন
search
প্রবেশ
নির্বিক এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে সমস্যার সমাধান করে নিতে পারবেন এবং পাশাপাশি অন্য কারো সমস্যার সমাধান জানা থাকলে তাদের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
4 টি ভোট
78 বার প্রদর্শিত
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে

3 উত্তর

0 টি ভোট
প্রথমে নাপাক জায়গাটা ধুয়ে তারপর কাপরটা পানিতে ভালবাবে ধৌত করে পানি নিংড়িয়ে নিয়ে আবার দিতে ধৌত করে আবার পানি নিংড়িয়ে এভাবে তিনবার করতে হবে।আর হে টিওবওয়েলে বালতি ধৌত করলে তিনবার আলাদা আলাদা পানিতে ধৌত করতে হবে।আর পুকুরে করলে তিনবার তিন স্থানে চোবাতে হবে অথবা একই স্থানে পানি হাত দিয়ে অন্যত্র নাড়িয়ে দিয়ে করতে হবে আর স্রোতের মধ্যে করলে একই জায়গায় বার বার দিলে সমস্যা নেই।
0 টি ভোট
নাপাক কাপড় শরীয়ত সম্মত ভাবে ধোয়ার নিয়ম:

* গাঢ় নাজাছাত (যা দেখা যায় যেমন : পায়খানা, রক্ত)  শরীর বা কাপড়ে লাগলে তা পাক করার নিয়ম হল নাজাছাতকে এমনভাবে ধৌত করবে যেন দাগ না থাকে।  একবার বা দুইবার ধোয়ায় দাগ চলে গেলেও পাক হয়ে যাবে তবে তিনবার  ধোয়া মোস্তাহাব। তিনবার ধোয়া সত্ত্বেও এবং নাজাছাত চলে গিয়ে পরিষ্কার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও যদি কিছু দাগ বা দুর্গন্ধ থেকে যায় তাতে কোন দোষ নেই, সাবান প্রভৃতি লাগিয়ে দাগ বা দুর্গন্ধ দূর করা  ওয়াজিব নয়।




* পানির মত তরল নাজাছাত শরীর বাঁ কাপড়ে লাগালে তা পাক করার নিয়ম হল তিনবার ধৌত করা এবং প্রত্যেক বাঁ কাপড় ভাল করে নিংড়ানো তৃতীয়বার খুব জোরে নিংড়াতে হবে । ভালমত না নিংড়ালে কাপড় পাক হবে না ।

 * কাপড় বা শরীর গাঢ় কিংবা তরল নাজাছাত  লাগলে ধোয়া ব্যাতীত অন্য কোনো উপায় পাক করা যায় না । পানির দ্বারা ধুয়ে যেরূপ পাক করা যায় তদ্রূপ পানির ন্যায় তরল এবং পাক (যেমনঃ গোলাপ জল , রস, সিরকা প্রভৃতি ) জিনিস দ্বারাও ধুয়ে পাক করা যায় । কিন্তু যেসব জিনিস তৈলাক্ত তা দ্বারা ধুলে পাক হবে না ; যেমন ঃ দুধ, ঘি , তেল ইত্যাদি ।

* ওয়াশিং  মেশিনে কাপড় ধোয়া হলে মেশিন যেহেতু নিয়ম মত কাপড় নিংড়াতে পারে না এবং নাপাক কাপড়ের সঙ্গে থাকা কাপড়  একত্রে ভিজানোর কারণে পাক কাপড়ও নাপাক হয়ে যায় , তাই ধোয়ার পূর্বে বাঁ পরে নাপাক কাপড়গুলোকে পৃথকভাবে নিয়ম মত ধুয়ে পাক করে নিতে হবে । তা না করলে যদি মেশিনেই তিনবার নিয়মমত পানি ঢেলে নিংড়িয়ে নেয় , তবুও চলবে ।

* ধোপারা সাধারণত অনেক কাপড় একসঙ্গে ভিজিয়ে রাখে । এর মধ্যে কোনো কাপড় নাপাক থাকলে পাক কাপড়গুলোও নাপাক হয়ে যাবে , তখন সবগুলোকে নিয়মমত ধুয়ে পাক করা প্রয়োজন । ধোপারা সেরূপ করে কিনা তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন । তাই লন্ড্রির মাধ্যমে কাপড় ধোলাই করার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন । তবে একান্তই কেউ পাক কাপড় দিলে তা নাপাক হয়েছে ধরা হবে না । পক্ষান্তরে নাপাক কাপড় দিলে তা পাকও ধরা হবে না । ড্রাই ওয়াশ - এর হুকুমও অনুরূপ ।

* দুই পাল্লা বিশিষ্ট কাপড়ের এক পাল্লা বা তুলা ভরা কাপড়ের এক দিক যদি নাপাক এবং অন্য পাল্লা বাঁ অন্য দিকে হয় এমতাবস্থায় উভয় পাল্লা যদি একত্রে  সেলাই করা হয় তাহলে পাক পাল্লার উপড় নামায পড়া দুরন্ত হবে না । সেলাই করা না হলে নাপাক পাল্লা নিচে রেখে পাক পাল্লার উপর নামায পড়া দুরস্ত হবে । তবে শর্ত এই যে , পাক পাল্লা এত মোটা হওয়া চাই যাতে  পাক পাল্লার উপর থেকে নাপাকীর  রং দেখা না যায় এবং গন্ধও টের না পাওয়া যায়।

* বিছানার এক  কোণ নাপাক এবং বাকী অংশ পাক হলে পাক অংশে নামায পড়া দুরন্ত আছে ।

* না ধুয়ে কাফেরদের কাপড়ে বা বিছানায় নামায পড়া মাকরূহ ।

* তুলার গদি, তোষক অথবা লেপে যদি মল মুত্র বা অন্য কোন প্রকার নাজাছাত লাগে তাহলে পানি দ্বারা ধৌত করতে হবে । যদি নিংড়ানো কঠিন হয় তাহলে ভাল করে তিনবার পানি প্রবাহিত করতে হবে । প্রতিবার পানি প্রবাহিত  করার পর এমনভাবে রেখে দিবে যেন সমস্ত পানি ঝরে যায় , তারপর আবার পানি প্রবাহিত করবে , এভাবে তিনবার করলেই পাক হয়ে যাবে- তুলা ইত্যাদি বের করে ধোয়ার প্রয়োজন নেই ।

এই হাদিস টিঃ আহকামে যিন্দেগী বই থেকে নেয়া ।
পেজ নং : ১২৩ -১২৫।
0 টি ভোট
কাপড়ে নাপাক লাগলে তা দূরিভূত করার দ্বারা উক্ত কাপড় পবিত্র হয়ে যায়। দূরিভূত করার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, যদি নাপাকটি শুকিয়ে যায়, এবং তা দেখা যায়, তাহলে তা রগরে একদম উঠিয়ে ফেললেই কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে। যদি রগরে উঠানো না যায়, তাহলে উক্ত নাপাক দূর করার দ্বারা উক্ত কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে কোন সংখ্যার শর্ত নেই। নাপাকটি দূরিভূত হয়ে যাওয়া শর্ত।
তবে যদি নাপাক দেখা না যায়, বরং তা কাপড়ের সাথে মিশে গিয়ে থাকে, কিংবা কোথায় লেগেছে তা জানা না যায়, তাহলে পুরো কাপড় ভাল করে তিনবার ধৌত করা এবং প্রতিবার ভাল করে নিংড়ানো দ্বারা কাপড়টি পবিত্র হয়ে যাবে।
0
Good Answer

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি ভোট
3 টি উত্তর 123 বার প্রদর্শিত
0 টি ভোট
1 উত্তর 38 বার প্রদর্শিত
38 বার প্রদর্শিত 26 মে 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা sakhawat062
0 টি ভোট
1 উত্তর 47 বার প্রদর্শিত
47 বার প্রদর্শিত
আমার নামের প্রথম অক্ষর 'জ'। ছেলে/মেয়ের ইসলামিক নাম রাখতে চাই। কী নাম রাখা যেতে পারে??
26 ফেব্রুয়ারি 2018 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা zarjijul
0 টি ভোট
1 উত্তর 11 বার প্রদর্শিত
11 বার প্রদর্শিত 24 জুন 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা Siddique
...