নিরভিকে ডট কমে আপনাকে স্বাগতম।এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।প্রশ্ন করতে Ask a Question ক্লিক করুন।
5 like 0 dislike
142 views
asked in স্বাস্থ্য by (2,762 points)
আমার বয়স ৩০ বছর।
কিন্তু আমার মুখে কোনো দাড়ি নেই।আমি কীভাবে দাড়ি গজাতে পারি?অনেক শেভ করেছি কিন্তু দাড়ি উঠে না
commented by (1,441 points)
ডাক্তার দেখাতে পারেন

4 Answers

1 like 0 dislike
answered ago by (1,794 points)
selected ago by
 
Best answer
অনেক পুরুষই দাড়ি রাখতে ভালোবাসেন। দাড়ি-গোঁফকে গর্বের বিষয়ও মনে করেন অনেকে। তাই হয়তো ‘দ্রুত কীভাবে দাড়ি বড় করা যায়’ এটি গুগল সার্চের জনপ্রিয় বিষয়। উইকিহাউ অবলম্বনে ইন্ডিয়া টাইমস বাতলে দিয়েছে দ্রুত দাড়ি বড় করার কিছু প্রাকৃতিক উপায় । ১. আমলকীর তেল দ্রুত দাড়ি গজাতে সাহায্য করে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট আমলকীর তেল দিয়ে মুখ ম্যাসাজ করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন ২. দিনে দুবার মৃদু ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুতে হবে। মুখ ধোয়ার সময় হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। পরিষ্কার ত্বক দাড়ির বৃদ্ধিকে বাড়িয়ে দেবে। ৩. ইউক্যালিপটাস দাড়ি বড় করতে সাহায্য করে। ইউক্যালিপটাস সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করুন। ৪. দাড়ি ভালোভাবে এবং দ্রুত গজানোর জন্য কিন্তু ভালোভাবে ঘুম হওয়া জরুরি। এটি ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে পুনর্গঠনে সাহায্য করে। ৫. কিছু ভিটামিন এবং মিনারেল দ্রুত দাড়ি গজাতে সাহায্য করে। খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই-সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। ৬. প্রতিদিন ২ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম বায়োটিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন। এটি চুল গজাতে কাজে দেবে। তবে যেকোনো ওষুধ গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ৭. মানসিক চাপ কম থাকলে দাড়ি দ্রুত গজায়। তাই ধ্যান করে বা যোগব্যায়াম করে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন। ৮. প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। মাছ, মাংস, ডিম বাদাম ইত্যাদি খান। এতে দাড়ি দ্রুত গজাবে। ৯. মুখের ম্যাসাজ রক্তের চলাচলকে বাড়ায়। এটি চুল গজাতে সাহায্য করে। তাই প্রায়ই মুখে ম্যাসাজ করুন। এ ছাড়া ছয় মাস পরপর দাড়ি ট্রিমিং করুন। সূত্র:এনটিভি
1 like 0 dislike
answered by (1,441 points)
আপনার যেহেতু বয়স ২৫ বছর পার হয়ে গিয়েছে।
তাই শেভ করে আর লাভ হবে না।
আপনার উচিত ডাক্তারের শরাপন্ন হওয়া।
এটা আপনার জেনেটিক্স সমস্যাও হতে পারে।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট নিন
2 like 0 dislike
answered by (1,626 points)
edited by
মানুষের শরীরের অঙ্গ-পতঙ্গ সবকিছুই আল্লাহ পাকের দান। আল্লাহ যা দিয়েছেন তাতেই সন্তুষ্ট থাকুন। নিজ থেকে কিছু বাড়ানোর প্রয়োজন কি? এখনতো আপনার বিশ বছর মাত্র। দাঁড়ি উঠার হলে একটু দেরি করে হলেও উঠবে। একটু ধৈর্য দরুন। কৃত্রিম পন্থায় দাঁড়ি উঠানোর পক্ষে আমি নই। একদিক থেকে আপনি স্রস্টার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করুন যে আপনার দাঁড়ি নেই। অনেকেই আছে যাদের কাছে দাঁড়ি থাকাটা বিরক্তির কারণ...
0 like 0 dislike
answered ago by (2,762 points)
সাধারণত বয়সন্ধিকালের বা বয়সন্ধিকালোত্তীর্ণ পুরুষ লোকের দাঁড়ি গজায় । একজন পুরুষের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়স সাধারণত ১৩ থেকে ১৪ বছর । অর্থাৎ তখন তার শরীরে অনেক পরিবর্তন ঘটে, যার একটি হচ্ছে দাঁড়ি-গোঁফ ওঠা । এখানে পুরুষ হরমোন টেস্টস্টেরনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ । এ সময়ে মুখমন্ডলের লোমকূপে ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন এর উদ্দীপনার কারণে দাঁড়ি গজায় । ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন টেস্টোস্টেরন হতে নিঃসৃত হয়, যারমাত্রা বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন হয় । ফলে গ্রীষ্মকালে দাঁড়ি দ্রুত বাড়ে । এই টেস্টোস্টেরন হরমোন সমস্যার কারণে অনেকের প্রকৃত বয়সের পরে দাঁড়ি গোঁফ গজায় । তবে বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, পারিবারিক বা জন্মগত কারণেও দাঁড়ি-গোঁফ কারো কারো কম বা দেরিতে ওঠে । তাই চিকিৎসক কর্তৃক শারীরিক পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হতে হবে, আসলে হরমোন সমস্যার কারণে এমনটি হচ্ছে কি না । হরমোন সমস্যার কারণে হলে তার চিকিত্সা সম্ভব।
নিরবিক ডট কম একটি প্রশ্ন উত্তর সাইট। এটি এমন একটি প্লাটফরম যেখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন।আর আপনি যদি সবজান্তা হয়ে থাকেন তাহলে অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।